ডিপ্লোমা ও সমমানের কোর্সে ভর্তি ফি আদায়ে নতুন নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
2 Min Read
ছবি:সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডিপ্লোমা ও সমমানের বিভিন্ন কোর্সে শিক্ষার্থীদের ভর্তি ও অন্যান্য ফি আদায়ের ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড।
এখন থেকে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ধরনের ফি নগদে নেওয়া যাবে না। ব্যাংক, মোবাইল ব্যাংকিং কিংবা অনলাইন ব্যবস্থায় ফি পরিশোধ করতে হবে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরিচালক (কারিকুলাম) প্রকৌশলী অনিমেশ পাল স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

নতুন নির্দেশনা চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং, মেরিন, টেক্সটাইল, অ্যাগ্রিকালচার, ফরেস্ট্রি, ফিশারিজ, লাইভস্টক এবং ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট কোর্সের পাশাপাশি দুই বছর মেয়াদি এইচএসসি (বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল), ডিপ্লোমা ইন কমার্স ও সার্টিফিকেট ইন মেরিন ট্রেড কোর্সের সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রযোজ্য হবে।

কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী, টিউশন, ভর্তি ও পুনঃভর্তিসহ সরকারি প্রাপ্য অর্থ এ-চালানের মাধ্যমে সরাসরি সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ব্যাংক অথবা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই নগদ টাকা নেওয়া যাবে না।

নীতিমালায় অনুমোদিত খাতের বাইরে অতিরিক্ত কোনো ফি আদায় করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এতে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তি বা পুনঃভর্তি ফি সর্বোচ্চ ২০০ টাকা এবং প্রতি সেমিস্টারের ফি ১ হাজার ২০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ভর্তি বা পুনঃভর্তি ফি ২০ টাকা এবং প্রতি সেমিস্টারের টিউশন ফি ৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজে ভর্তি ফি ২০ টাকা এবং ছেলেদের বার্ষিক বেতন ১২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানের আর্থিক কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তিন সদস্যের অভ্যন্তরীণ অডিট কমিটি গঠনের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। কমিটিকে প্রতিবছর প্রতিষ্ঠানের আর্থিক হিসাব নিরীক্ষা করে প্রতিবেদন দিতে হবে।

এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানের আর্থিক, একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম তদারকির জন্য প্রতিষ্ঠানপ্রধানের নেতৃত্বে ‘একাডেমিক কাম-প্রশাসনিক কাউন্সিল’ গঠন করতে বলা হয়েছে। কাউন্সিলকে প্রতি তিন মাসে অন্তত একবার সভা করতে হবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ফি আদায় বা অর্থ ব্যয়ে কোনো অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে এর দায় নিতে হবে। পাশাপাশি অব্যয়িত অর্থ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতে হবে।

Share This Article
Leave a Comment