ডেস্ক নিউজ: ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন ভবনে আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতোই ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনেও সেনাবাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। জাতীয় নির্বাচনে ব্যবহৃত প্রযুক্তিগুলোও এ নির্বাচনে ব্যবহার করা হবে। সম্ভব হলে প্রযুক্তির ব্যবহার আরও বাড়ানো হবে, যাতে নির্বাচন সুন্দরভাবে সম্পন্ন করা যায়।
তফসিল অনুযায়ী, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ২৭ সেপ্টেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ২৯ সেপ্টেম্বর। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত। আপিল নিষ্পত্তি হবে ৬ অক্টোবর।
প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৭ অক্টোবর এবং প্রতীক বরাদ্দ হবে ৮ অক্টোবর। ভোটগ্রহণ হবে ২৯ অক্টোবর, সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
এবারের নির্বাচনে আউট অব কান্ট্রি ভোটিং বা আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালটের ব্যবস্থাও থাকছে। গত নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ৩৩টি দেশ থেকে ৩৮৬ জন বিদেশি ভোটার নিবন্ধিত হয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নিবন্ধন হয়েছিল সৌদি আরব থেকে।
ইন-কান্ট্রি পোস্টাল ভোটিংয়ে নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ৪৫ জন। তাঁদের মধ্যে সরকারি চাকরিজীবী ছিলেন ২ হাজার ৭৩৫ জন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোটার ছিলেন ৫ লাখ ৭ হাজার ২০৩ জন। এবার ভোটার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ১৫ হাজার ৫২৫ জন। অর্থাৎ ভোটার বেড়েছে ৮ হাজার ৩২২ জন।
এবার আসনটিতে ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৮৫টি এবং ভোটকক্ষ ৯৮৯টি।
গত ২২ আগস্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের আসনটি শূন্য ঘোষণা করে সংসদ সচিবালয়। সংসদ সচিবালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংবিধানের ৫০(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, গত ২১ আগস্ট তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের দিন থেকেই আসনটি শূন্য হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর আগে গত ২০ আগস্ট সংসদ সদস্যদের ভোটে তিনি দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

