রুহিয়া (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ায় স্থানীয় প্রগতি সংঘের সাবেক খেলোয়াড় মরহুম দেলোয়ার হোসেন দেলুর স্মরণে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ফুটবল টুর্নামেন্টের জমকালো সমাপ্তি ঘটেছে। টুর্নামেন্টের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে আসাননগর তরুণ সংঘ স্পোর্টিং ক্লাবকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে পাটিয়াডাঙ্গী একাদশ।
আজ সোমবার বিকেলে রুহিয়া প্রগতি সংঘ মাঠে টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এ আসরে মোট ৮টি দল অংশ নেয়।
ফাইনাল ম্যাচে দুই দলের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই উপভোগ করেন দর্শকেরা। আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে ভরপুর ম্যাচটিতে শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের কষ্টার্জিত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে পাটিয়াডাঙ্গী একাদশ। অন্যদিকে পরাস্ত হয়ে রানারআপ ট্রফিতেই সন্তুষ্ট থাকতে হয় আসাননগর তরুণ সংঘ স্পোর্টিং ক্লাবকে।
খেলা শেষে প্রধান অতিথিসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা বিজয়ী ও বিজিত দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রুহিয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম রিপন, সাংগঠনিক সম্পাদক ও প্রগতি সংঘের সাধারণ সম্পাদক ইন্তাজুল হক, ৫ নম্বর রুহিয়া পশ্চিম ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শহিদুল হক ও সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম, অ্যাডভোকেট সিরাজুম মুনিব সাইমুম এবং গিন্নিদেবী আগরওয়ালা মহাবিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক শফিক ইসলাম।
এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও সাবেক ফুটবলার ভয়েল কুমার সেন রিপন, রুহিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব আল সাদিক মিলন, প্রগতি সংঘের সাবেক খেলোয়াড় আব্দুল জলিল, রুহিয়া পশ্চিম ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাকিবুল ইসলাম শাকিব, প্রগতি সংঘের সাবেক খেলোয়াড় ও সাংবাদিক আহসান হাবিব রুবেল এবং সাবেক খেলোয়াড় নিরঞ্জনসহ স্থানীয় ক্রীড়ানুরাগীরা।
প্রগতি সংঘের সাবেক খেলোয়াড় সাব্বির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়। মাঠের ফাইনাল ম্যাচটি পরিচালনা করেন রেফারির দায়িত্বে থাকা বিপুল দাস, রমজান আলী ও চঞ্চল। ম্যাচটি দেখতে প্রগতি সংঘের সাবেক ও বর্তমান অ্যাথলেটসহ হাজারো ফুটবলপ্রেমী মাঠে ভিড় জমান।
টুর্নামেন্টের আয়োজকরা জানান, যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা ও সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রেখে সুপ্রতিষ্ঠিত করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। প্রয়াত খেলোয়াড় দেলোয়ার হোসেন দেলুর স্মৃতি অমর করে রাখার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে ফুটবল খেলার পুনর্জাগরণ সৃষ্টিতে এ টুর্নামেন্ট বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।

