নিউজ ডেস্ক: মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামানকে ‘বীর’ হিসেবে আখ্যায়িত করায় জামায়াতে ইসলামীর আমিরের সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তাঁর অভিযোগ, আক্তারুজ্জামানকে বীর হিসেবে তুলে ধরে জামায়াত আমির কার্যত গণহত্যার পক্ষেই অবস্থান নিয়েছেন।
রোববার (৪ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খাঁন এসব মন্তব্য করেন।
পোস্টে তিনি বলেন, গণহত্যার মদতদাতা হিসেবে অভিযুক্ত মেজর আক্তারুজ্জামানকে বীর আখ্যা দেওয়ার মাধ্যমে জামায়াত আমির গণহত্যার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
তাঁর দাবি, গণঅভ্যুত্থানের এক
মাসের মাথায় জামায়াত আমির আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছিলেন। রাশেদ খাঁনের প্রশ্ন, এর মাধ্যমে গণহত্যার নির্দেশদাতা শেখ হাসিনাকেও কি ক্ষমা করে দেওয়া হয়নি?
রাশেদ খাঁন আরও বলেন, যিনি বর্তমানে মেজর আক্তারুজ্জামানের জন্য কাঁদছেন, ভবিষ্যতে তিনি শেখ হাসিনার জন্যও কাঁদতে পারেন। তাঁর ভাষ্য, জামায়াতের রাজনৈতিক চরিত্রই এমন।
তিনি দাবি করেন, ১৯৭১ সালের গণহত্যায় সহযোগিতার অভিযোগের কারণে ২০২৪ সালের গণহত্যাকেও জামায়াতের কাছে তুচ্ছ বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। মেজর আক্তারুজ্জামানকে নিয়ে জামায়াত আমির ও দলটির নেতাকর্মীদের বক্তব্যকে এর উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
রাশেদ খাঁনের আরও দাবি, মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামানের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের গণহত্যায় মদত দেওয়ার অভিযোগেও মামলা হওয়া উচিত।
তাঁর প্রশ্ন, এ ধরনের মামলা হলে জামায়াত কীভাবে তা মোকাবিলা করবে। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, জামায়াতে যোগ দেওয়ার কারণে আক্তারুজ্জামানের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ ও অপরাধ কি ক্ষমা হয়ে গেছে?
সবশেষে রাশেদ খাঁন প্রশ্ন করেন, জামায়াতে ইসলামী কি অপরাধীদের পুনর্বাসনের জায়গায় পরিণত হতে চায়?

