দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার হিলিতে এক নারীকে কয়েকদিন একটি বাড়িতে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মায়ের করা মামলায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলার আরও একজন আসামি পলাতক রয়েছেন।
রোববার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাদশা আলম।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, পাওনা টাকা চাইতে গেলে গত ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত হাকিমপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পালপাড়া এলাকায় মোহাম্মদ রুহুল আমিন ওরফে রিমনের বাড়িতে ওই নারীকে আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহারে বলা হয়, ওই সময় রুহুল আমিন ওরফে রিমন, শুকুর আলী ও ফেরদৌস মিয়া ওই নারীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করেন। এ সময় মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানোর অভিযোগও রয়েছে।
বিষয়টি স্থানীয় লোকজন জানতে পেরে ওই বাড়িতে গিয়ে দুইজনকে আটক করেন। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের হেফাজতে নেয় এবং ওই নারীকে উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় হাকিমপুর থানায় মামলা হয়েছে। মামলার পর রুহুল আমিন ওরফে রিমন এবং শুকুর আলীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামি ফেরদৌস মিয়া পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটি তদন্তাধীন। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

