ঠাকুরগাঁও থেকে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্র—তারপর রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী। শিক্ষকতা, সরকারি চাকরি, পৌর রাজনীতি, সংসদ সদস্য, প্রতিমন্ত্রী ও দীর্ঘদিনের দলীয় নেতৃত্ব পেরিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এখন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সবচেয়ে আলোচিত নামগুলোর একটি।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাজনৈতিক জীবন যেন বাংলাদেশের রাজনীতির কয়েক দশকের একটি দীর্ঘ পথের গল্প। ছাত্রজীবনের আন্দোলন থেকে তাঁর রাজনৈতিক পথচলা শুরু। এরপর শিক্ষকতা ও সরকারি চাকরি, ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান, জাতীয় সংসদ সদস্য, প্রতিমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব—একেকটি ধাপ পেরিয়ে তিনি আজ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলের প্রার্থী।
১৩ আগস্ট ২০২৬ বিএনপি তাঁকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করে। একই দিনে নির্বাচন কমিশনে তাঁর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়।
তবে রাষ্ট্রপতি হওয়া এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হয়নি। নির্বাচন কমিশনের সূচি অনুযায়ী মনোনয়ন যাচাই-বাছাই হবে ১৬ আগস্ট। একাধিক প্রার্থী থাকলে ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদে ভোট হবে।
জন্ম ও পারিবারিক পরিচয়
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জন্ম ১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁওয়ে। তাঁর বাবা মির্জা রুহুল আমিন ছিলেন আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ। তিনি একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং বাংলাদেশের কৃষিমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
তাঁর পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যও দীর্ঘ। চাচা মির্জা গোলাম হাফিজ বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ভূমিমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী এবং জাতীয় সংসদের স্পিকার ছিলেন। আরেক চাচা উইং কমান্ডার এস.আর. মির্জা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর সরকারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং যুব শিবিরের দায়িত্ব পালন করেন।
ছাত্রজীবনেই রাজনীতির শুরু
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ছাত্র থাকতেই মির্জা ফখরুলের রাজনীতিতে সক্রিয়তা শুরু হয়। ষাটের দশকের ছাত্র আন্দোলনের সময় তিনি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত হন।
তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএম হল ইউনিটের নেতৃত্বে ছিলেন এবং পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও দৃশ্যমান হয়ে ওঠে। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে তাঁকে গ্রেপ্তার ও কারাবরণও করতে হয়েছিল বলে সরকারি জীবনীতে উল্লেখ রয়েছে।
শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবনের শুরু
রাজনীতির পাশাপাশি মির্জা ফখরুলের কর্মজীবনের শুরু শিক্ষকতা দিয়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতিতে পড়াশোনা শেষে তিনি ১৯৭২ সালে ঢাকা কলেজে অর্থনীতির প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।
পরবর্তী সময়ে তিনি বিভিন্ন সরকারি কলেজে শিক্ষকতা করেন। সরকারি দায়িত্বের অংশ হিসেবে তিনি পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরেও কাজ করেন এবং ইউনেস্কো জাতীয় কমিশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
জিয়াউর রহমানের প্রশাসনে দায়িত্ব
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরকারি চাকরির সময় রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রশাসনের সঙ্গেও যুক্ত হন। ১৯৭৯ সালের দিকে তিনি তৎকালীন উপপ্রধানমন্ত্রী এস.এ. বারীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮২ সালে এস.এ. বারী পদত্যাগ করা পর্যন্ত তিনি ওই দায়িত্বে ছিলেন।
এরপর তিনি আবার শিক্ষকতা পেশায় ফিরে যান।
সরকারি চাকরি ছেড়ে সক্রিয় রাজনীতিতে
১৯৮৬ সালে মির্জা ফখরুল সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগ করেন। এরপর তিনি সরাসরি সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশের প্রস্তুতি নেন।
মাত্র দুই বছরের ব্যবধানে তাঁর রাজনৈতিক জীবনে আসে বড় পরিবর্তন।
১৯৮৮: ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান
১৯৮৮ সালে তিনি নির্দলীয় বা নিরপেক্ষ প্রার্থী হিসেবে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এটাই ছিল জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাঁর বড় রাজনৈতিক উত্থানের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
অর্থাৎ জাতীয় পর্যায়ের রাজনীতিতে বড় কোনো পদ দিয়ে তাঁর নির্বাচনী রাজনীতির শুরু হয়নি। শুরুটা হয়েছিল স্থানীয় সরকার থেকে—ঠাকুরগাঁও পৌরসভা দিয়ে।
বিএনপিতে যোগদান
নব্বইয়ের দশকের শুরুতে এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিএনপিতে যোগ দেন।
১৯৯২ সালে তিনি ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি হন। স্থানীয় পর্যায় থেকে দলের সাংগঠনিক রাজনীতিতে তাঁর উত্থান শুরু হয় সেখান থেকেই।
এরপর ধীরে ধীরে তিনি জাতীয় পর্যায়ের বিএনপি নেতৃত্বে জায়গা করে নেন।
সংসদীয় রাজনীতিতে প্রবেশ
মির্জা ফখরুলের সংসদীয় রাজনীতির অন্যতম বড় সাফল্য আসে ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে।
ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। নির্বাচন কমিশনের পরিসংখ্যানেও ওই নির্বাচনে তাঁর বিজয়ের তথ্য রয়েছে।
এরপর তিনি বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভায় জায়গা পান।
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব
২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কৃষি মন্ত্রণালয় এবং পরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
অর্থাৎ স্থানীয় সরকারের চেয়ারম্যান থেকে তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা তখন জাতীয় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।
বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে উত্থান
মির্জা ফখরুলের দলীয় রাজনীতিতে উত্থানও ধাপে ধাপে।
২০০৯ সালের বিএনপির পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে তাঁকে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব করা হয়। এরপর ২০ মার্চ ২০১১ তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পান।
প্রায় পাঁচ বছর ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর ৩০ মার্চ ২০১৬ তিনি বিএনপির মহাসচিব হন।
এই পদে তিনি দীর্ঘ সময় বিএনপির সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম প্রধান মুখ হয়ে ওঠেন।
কঠিন রাজনৈতিক সময়ের অন্যতম মুখ
খালেদা জিয়ার কারাবন্দিত্ব এবং তারেক রহমানের দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে অবস্থানের সময়ে বিএনপির প্রকাশ্য রাজনৈতিক নেতৃত্বে মির্জা ফখরুলের ভূমিকা বিশেষভাবে দৃশ্যমান ছিল।
বিএনপির বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি, সংবাদ সম্মেলন, সরকারের সমালোচনা এবং দলীয় অবস্থান তুলে ধরার ক্ষেত্রে তাঁকে নিয়মিত সামনে দেখা গেছে।
বিরোধী রাজনীতির দীর্ঘ সময়ে তিনি একাধিকবার গ্রেপ্তার ও কারাবরণ করেছেন। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে রাজনৈতিক মামলায় তিনি ছয়বার কারাগারে গিয়েছিলেন।
২০২৬: আবার সংসদে এবং সরকারের মন্ত্রী
২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর মির্জা ফখরুল আবার জাতীয় সংসদে ফিরে আসেন এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পান। সরকারি জীবনী ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদনে তাঁর এই দায়িত্বের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
একই সঙ্গে তিনি বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন।
রাষ্ট্রপতি পদে নতুন অধ্যায়
২০২৬ সালের আগস্টে তাঁর রাজনৈতিক জীবনে আসে সবচেয়ে বড় মোড়।
১৩ আগস্ট বিএনপি তাঁকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করে। দলীয় সিদ্ধান্তের পর তাঁর পক্ষে নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়।
রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হওয়ার পর তিনি বিএনপির মহাসচিব ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন বলে সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে।
এর মধ্য দিয়ে প্রায় ১৬ বছর বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনের অধ্যায়েরও অবসান ঘটছে।
রাষ্ট্রপতি হলে কেন এটি হবে ব্যতিক্রমী রাজনৈতিক যাত্রা?
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের যাত্রার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো—তাঁর রাজনৈতিক জীবনের বড় একটি অংশ তৈরি হয়েছে তৃণমূল ও স্থানীয় রাজনীতির মধ্য দিয়ে।
একজন ছাত্রনেতা → শিক্ষক → সরকারি কর্মকর্তা → পৌরসভার চেয়ারম্যান → জেলা বিএনপি নেতা → সংসদ সদস্য → প্রতিমন্ত্রী → বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা → দীর্ঘদিনের মহাসচিব → মন্ত্রী → রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী।
এই ধারাবাহিকতা বাংলাদেশের রাজনীতিতে তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার একটি আলাদা চিত্র তুলে ধরে।
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাও তাঁর রাজনৈতিক যাত্রাকে ছাত্রনেতা থেকে পৌরসভার চেয়ারম্যান, সংসদ সদস্য, প্রতিমন্ত্রী এবং জাতীয় নেতৃত্বের দিকে ধাপে ধাপে এগিয়ে যাওয়ার গল্প হিসেবে তুলে ধরেছে।
রাষ্ট্রপতি হওয়া কি নিশ্চিত?
এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার করা জরুরি।
১৪ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নন; তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী।
১৩ আগস্ট দুই প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বলে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই হবে। একাধিক প্রার্থী বহাল থাকলে ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তবে সংসদে ক্ষমতাসীন বিএনপির বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় রাজনৈতিকভাবে মির্জা ফখরুলের রাষ্ট্রপতি হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত জোরালো বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
অতএব এখনই তাঁকে ‘রাষ্ট্রপতি’ না বলে ‘রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী’ বলা তথ্যগতভাবে সঠিক।
ব্যক্তিজীবন
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্ত্রী রাহাত আরা বেগম। তাঁদের দুই কন্যা—মির্জা শামারুহ ও মির্জা সাফারুহ। সরকারি জীবনীতে তাঁদের শিক্ষাজীবন ও পেশাগত কর্মকাণ্ডের তথ্যও উল্লেখ করা হয়েছে।
*এক নজরে মির্জা ফখরুলের রাজনৈতিক পথ*
১৯৪৮ — ঠাকুরগাঁওয়ে জন্ম
১৯৬০-এর দশক — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয়
১৯৬৯ — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইউনিয়নের নেতৃত্বে
১৯৭২ — ঢাকা কলেজে শিক্ষকতা শুরু
১৯৭৯–১৯৮২ — উপপ্রধানমন্ত্রী এস.এ. বারীর ব্যক্তিগত সচিব
১৯৮৬ — সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগ
১৯৮৮ — ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত
১৯৯০-এর দশকের শুরু — বিএনপিতে যোগদান
১৯৯২ — ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি
২০০১ — ঠাকুরগাঁও-১ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত
২০০১–২০০৬ — কৃষি এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী
২০০৯ — বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব
২০১১ — ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব
২০১৬ — বিএনপির মহাসচিব
২০২৬ — সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
১৩ আগস্ট ২০২৬ — রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী
২০ আগস্ট ২০২৬ — একাধিক প্রার্থী থাকলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হওয়ার নির্ধারিত তারিখ।
শেষ কথা
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাজনৈতিক জীবনের গল্পকে যদি এক বাক্যে বলা হয়, তাহলে সেটি হতে পারে—ছাত্ররাজনীতি থেকে স্থানীয় সরকার, সেখান থেকে জাতীয় সংসদ ও মন্ত্রিসভা, দীর্ঘদিনের দলীয় নেতৃত্ব পেরিয়ে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে যাওয়ার পথে এক দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা।
ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব থেকে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল, ২০২৬ সালের আগস্টে তা এসে দাঁড়িয়েছে বঙ্গভবনের দরজায়।
তবে ইতিহাসের পরবর্তী লাইনটি এখনো লেখা হয়নি। কারণ মনোনয়ন জমা পড়েছে, কিন্তু রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত ও শপথ নেওয়ার আনুষ্ঠানিকতা এখনো বাকি।
সেই অর্থে মির্জা ফখরুলের গল্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়টি হয়তো এখনো সামনে।

