ম্যাচের ৩২তম মিনিটে কুকুরেল্লার একটি চ্যালেঞ্জের পর রেফারি মার্তিনেজ মুনুয়েরার কাছে হলুদ কার্ডের দাবি জানান ইয়ামাল। বারবার ফাউলের শিকার হওয়ার পরও কেন প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডার কার্ড দেখছেন না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বার্সেলোনার এই ফরোয়ার্ড।
তবে ম্যাচের রিপ্লেতে দেখা যায়, বল পায়ে দীর্ঘ সময় ধরে রেখে এগিয়ে যাওয়ার কারণে ইয়ামালকে সামলানোর সুযোগ পাচ্ছিলেন কুকুরেল্লা। একটি আক্রমণে প্রায় ১০ সেকেন্ড বল পায়ে রাখেন তিনি। সেই সময়ই তাঁকে চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ পান প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডার।
ইয়ামালকে আটকে রাখার দায়িত্ব কুকুরেল্লার ওপর দিয়েছিলেন হোসে মরিনিও। তাঁর পরিকল্পনা কার্যকর হওয়ায় রক্ষণভাগে সাফল্য পায় দলটি। তবে মাঠে ইয়ামালের খেলা কাছ থেকে দেখার পর তাঁর প্রতিভার প্রশংসা করেছেন পর্তুগিজ কোচ।
মরিনিওর মতে, টেলিভিশনে কোনো খেলোয়াড়ের প্রকৃত দক্ষতা সব সময় উপলব্ধি করা সম্ভব হয় না। কাছ থেকে দেখলেই তাঁর সামর্থ্য সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়।
ইয়ামালকে নিয়ে নিজের মুগ্ধতা প্রকাশ করে মরিনিও বলেন, ‘খেলোয়াড়রা আমার সামনে না আসা পর্যন্ত আমি বুঝতে পারি না তারা কতটা ভালো। টেলিভিশনে আমার সেই ধারণা থাকে না। আমি ১০ মিটার দূর থেকে লামিনকে দেখেছিলাম এবং সে কোন মানের খেলোয়াড়, বুঝতে পেরেছিলাম।’

