তাঁবেদার রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি রিজভীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
2 Min Read
ছবি:সংগৃহীত

ঢাকা প্রতিনিধি: বাংলাদেশকে উপনিবেশ বা ‘তাঁবেদার রাষ্ট্রে’ পরিণত করার যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার কথা বলেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন রিজভী।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বাদ জুমা জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে জাতীয়তাবাদী ওলামা দল আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ’ শীর্ষক এ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির আহ্বায়ক মাওলানা গাজী মো. সেলিম রেজা।

রিজভী বলেন, দেশবিরোধী, গণতন্ত্রবিরোধী এবং স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরোধী শক্তির কোনো স্থান বাংলাদেশে নেই। যারা দেশকে অন্যের অধীন করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে বিএনপি ও জাতীয়তাবাদী ওলামা দল রাজপথে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তাঁর বাবা ১৯৮০ সালে এবং মা ১৯৯২ সালে জাতিসংঘে বক্তব্য দিয়েছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় তাঁদের জ্যেষ্ঠ সন্তান হিসেবে তারেক রহমানও জাতিসংঘে বক্তব্য দিয়েছেন।
রিজভীর ভাষ্য, তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে অস্ত্রের পরিবর্তে যুক্তি, কূটনীতি, শিক্ষা ও মানবতাকে পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের কথা বলেছেন। পাশাপাশি বিশ্বের প্রতিটি দেশের সঙ্গে সমমর্যাদার ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

ফিলিস্তিন প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, তারেক রহমান স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিও পুনর্ব্যক্ত করেছেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মর্যাদার সঙ্গে নিজ দেশে নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের বিষয়েও কথা বলেছেন।
অর্থনীতি ও উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়েও জাতিসংঘে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
রিজভী বলেন, বিশ্বের মানুষ যুদ্ধ নয়, শান্তি চায়। যুদ্ধের প্রভাব সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় পড়ে; খাদ্য, জ্বালানি ও অন্যান্য পণ্যের দাম বাড়ে এবং শিল্প-কারখানায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তাঁর দাবি, দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার যেকোনো প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী ওলামা দল প্রতিবাদ করছে।

বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, বিএনপি কোনো ‘পাতানো’ বা ‘মিডনাইট’ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসেনি। তাঁর দাবি, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের ভোটে বিএনপি ও তাদের জোট সরকার ক্ষমতায় এসেছে। মানুষের কল্যাণ ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সমাবেশ শেষে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।

Share This Article
Leave a Comment