নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী বছরের ৬ জুনের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদসহ স্থানীয় সরকার নির্বাচন শেষ করার বিষয়ে আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকে অংশ নেওয়া প্রতিনিধিরা সম্মত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন ভবনে ২৬টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কমিশনের প্রস্তাবিত কর্মপরিকল্পনা বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তবে নভেম্বর থেকে নির্বাচন শুরু হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বৈঠক থেকে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত কমিশন সভায় পর্যালোচনার পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
এদিকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতোই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
নির্বাচনের সময়সূচি নিয়ে তিনি বলেন, নভেম্বর ও ডিসেম্বরে দেশজুড়ে বিভিন্ন স্তরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। জানুয়ারিতে কিছুটা সময় পাওয়া গেলেও এরপর শুরু হবে পবিত্র রমজান। একই সময়ে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষাও অনুষ্ঠিত হবে। এই ব্যস্ত সময়সূচির মধ্যে উপনির্বাচন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন কীভাবে আয়োজন করা যায়, তা নিয়ে কমিশন কাজ করছে।
এর আগে চলতি সেপ্টেম্বর মাসে তফসিল ঘোষণা করে নভেম্বরের মাঝামাঝি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সে সময় সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাব্য সময়সূচিও প্রকাশ করা হয়েছিল।
বৃহস্পতিবারের বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, নির্বাচনসংক্রান্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয়, আইন মন্ত্রণালয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ ডাক বিভাগ, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), কোস্টগার্ড, আনসার ও ভিডিপি, ডিজিএফআই, এনএসআই, এনটিএমসি এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের প্রতিনিধিরাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।স্থানীয় নির্বাচন আগামী জুনের আগেই শেষ হবে: ইসি
নিজস্ব প্রতিবেদক
আগামী বছরের ৬ জুনের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদসহ স্থানীয় সরকার নির্বাচন শেষ করার বিষয়ে আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকে অংশ নেওয়া প্রতিনিধিরা সম্মত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন ভবনে ২৬টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কমিশনের প্রস্তাবিত কর্মপরিকল্পনা বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তবে নভেম্বর থেকে নির্বাচন শুরু হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বৈঠক থেকে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত কমিশন সভায় পর্যালোচনার পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
এদিকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতোই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
স্থানীয় নির্বাচন আগামী জুনের আগেই শেষ হবে: ইসি
নিজস্ব প্রতিবেদক
আগামী বছরের ৬ জুনের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদসহ স্থানীয় সরকার নির্বাচন শেষ করার বিষয়ে আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকে অংশ নেওয়া প্রতিনিধিরা সম্মত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন ভবনে ২৬টি মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কমিশনের প্রস্তাবিত কর্মপরিকল্পনা বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তবে নভেম্বর থেকে নির্বাচন শুরু হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বৈঠক থেকে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত কমিশন সভায় পর্যালোচনার পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
এদিকে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতোই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
নির্বাচনের সময়সূচি নিয়ে তিনি বলেন, নভেম্বর ও ডিসেম্বরে দেশজুড়ে বিভিন্ন স্তরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। জানুয়ারিতে কিছুটা সময় পাওয়া গেলেও এরপর শুরু হবে পবিত্র রমজান। একই সময়ে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষাও অনুষ্ঠিত হবে। এই ব্যস্ত সময়সূচির মধ্যে উপনির্বাচন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন কীভাবে আয়োজন করা যায়, তা নিয়ে কমিশন কাজ করছে।
এর আগে চলতি সেপ্টেম্বর মাসে তফসিল ঘোষণা করে নভেম্বরের মাঝামাঝি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সে সময় সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাব্য সময়সূচিও প্রকাশ করা হয়েছিল।
বৃহস্পতিবারের বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, নির্বাচনসংক্রান্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয়, আইন মন্ত্রণালয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ ডাক বিভাগ, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), কোস্টগার্ড, আনসার ও ভিডিপি, ডিজিএফআই, এনএসআই, এনটিএমসি এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের প্রতিনিধিরাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।নির্বাচনের সময়সূচি নিয়ে তিনি বলেন, নভেম্বর ও ডিসেম্বরে দেশজুড়ে বিভিন্ন স্তরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। জানুয়ারিতে কিছুটা সময় পাওয়া গেলেও এরপর শুরু হবে পবিত্র রমজান। একই সময়ে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষাও অনুষ্ঠিত হবে। এই ব্যস্ত সময়সূচির মধ্যে উপনির্বাচন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন কীভাবে আয়োজন করা যায়, তা নিয়ে কমিশন কাজ করছে।
এর আগে চলতি সেপ্টেম্বর মাসে তফসিল ঘোষণা করে নভেম্বরের মাঝামাঝি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সে সময় সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাব্য সময়সূচিও প্রকাশ করা হয়েছিল।
বৃহস্পতিবারের বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, নির্বাচনসংক্রান্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয়, আইন মন্ত্রণালয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ ডাক বিভাগ, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), কোস্টগার্ড, আনসার ও ভিডিপি, ডিজিএফআই, এনএসআই, এনটিএমসি এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের প্রতিনিধিরাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

